সাবেক অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেলের
মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বেশ কিছু দিন
ধরেই। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ
সফর আপাতত স্থগিত হওয়ার পর থেকেই মূলত তাঁর
মনে এই জিজ্ঞাসা। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে
বাংলাদেশ সফরে না যাওয়াটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য যতটা
সহজ সিদ্ধান্ত, ভারতের ব্যাপারে একই সিদ্ধান্ত
নেওয়াটা কি তেমনই সহজ?
ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আইপিএলে
অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়দের খেলার ব্যাপারে
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কী বলে, সেটার জন্য তিনি
আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন।
বাংলাদেশ সফর স্থগিত হওয়ার ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া
সরকারের পরামর্শকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া
শিরোধার্য করেছে বলেই মনে করেন ‘বড়’
চ্যাপেল, ‘নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারি পরামর্শকে
এক পাশে সরিয়ে রাখাটা খুব কঠিন ব্যাপার। বাংলাদেশ
সফর নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এমন সমস্যাতেই
পড়েছিল।’
রাষ্ট্রপ্রধানের সমতুল্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিশ্চয়তা
দিয়েও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলকে
বাংলাদেশে আনা যায়নি। এই প্রসঙ্গে ১৯৯৬
বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করলেন চ্যাপেল, ‘১৯৯৬
বিশ্বকাপেও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলকে
সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সে নিশ্চয়তায় ভরসা রাখেনি।
এমনকি ম্যাচের দিন সকালে কলম্বো পৌঁছে
সেদিন সন্ধ্যাতেই কলম্বো ত্যাগ করার
প্রস্তাবেও রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া। আসলে এই
ব্যাপারে আইসিসিরই উচিত বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট
বোর্ডের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক একটি কমিটি
বানিয়ে দেওয়া। কারণ নিরাপত্তার ব্যাপারে বিভিন্ন
বোর্ডের ভাবনা-চিন্তা কিংবা দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ারই
সম্ভাবনা বেশি। আইসিসির উচিত সফরের নিরাপত্তার
বিষয়াদি নির্দিষ্ট ক্রিকেট বোর্ডের হাত থেকে
সরিয়ে নেওয়া।’
বাংলাদেশ সফর স্থগিত হওয়াটা এই সফরে নতুন ডাক
পাওয়া ক্রিকেটারদের জন্য হতাশার বলেই মনে
করেন চ্যাপেল। কিন্তু হতাশা ঝেড়ে
নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান পারফরম্যান্স দিয়েই
খেলোয়াড়দের দেওয়া উচিত বলে মনে
করেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের অন্যতম
সেরা এই অধিনায়ক।
মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বেশ কিছু দিন
ধরেই। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ
সফর আপাতত স্থগিত হওয়ার পর থেকেই মূলত তাঁর
মনে এই জিজ্ঞাসা। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে
বাংলাদেশ সফরে না যাওয়াটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য যতটা
সহজ সিদ্ধান্ত, ভারতের ব্যাপারে একই সিদ্ধান্ত
নেওয়াটা কি তেমনই সহজ?
ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আইপিএলে
অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়দের খেলার ব্যাপারে
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া কী বলে, সেটার জন্য তিনি
আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন।
বাংলাদেশ সফর স্থগিত হওয়ার ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া
সরকারের পরামর্শকে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া
শিরোধার্য করেছে বলেই মনে করেন ‘বড়’
চ্যাপেল, ‘নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকারি পরামর্শকে
এক পাশে সরিয়ে রাখাটা খুব কঠিন ব্যাপার। বাংলাদেশ
সফর নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এমন সমস্যাতেই
পড়েছিল।’
রাষ্ট্রপ্রধানের সমতুল্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিশ্চয়তা
দিয়েও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলকে
বাংলাদেশে আনা যায়নি। এই প্রসঙ্গে ১৯৯৬
বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করলেন চ্যাপেল, ‘১৯৯৬
বিশ্বকাপেও অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট দলকে
সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সে নিশ্চয়তায় ভরসা রাখেনি।এমনকি ম্যাচের দিন সকালে কলম্বো পৌঁছে
সেদিন সন্ধ্যাতেই কলম্বো ত্যাগ করার
প্রস্তাবেও রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া। আসলে এই
ব্যাপারে আইসিসিরই উচিত বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট
বোর্ডের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক একটি কমিটি
বানিয়ে দেওয়া। কারণ নিরাপত্তার ব্যাপারে বিভিন্ন
বোর্ডের ভাবনা-চিন্তা কিংবা দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হওয়ারই
সম্ভাবনা বেশি। আইসিসির উচিত সফরের নিরাপত্তার
বিষয়াদি নির্দিষ্ট ক্রিকেট বোর্ডের হাত থেকে
সরিয়ে নেওয়া।’
বাংলাদেশ সফর স্থগিত হওয়াটা এই সফরে নতুন ডাক
পাওয়া ক্রিকেটারদের জন্য হতাশার বলেই মনে
করেন চ্যাপেল। কিন্তু হতাশা ঝেড়ে
নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান পারফরম্যান্স দিয়েই
খেলোয়াড়দের দেওয়া উচিত বলে মনে
করেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের অন্যতম
সেরা এই অধিনায়ক।
0 Comment "বাংলাদেশকে “না” বলা সোজা, ভারতকে নয়"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন